পৃথিবীর প্রাচীনতম ও সহজ প্রকৃতির ব্যবসায় সংগঠন হিসেবে একমালিকানা ব্যবসায় পরিচিত । একক মালিক কম পুঁজি নিয়ে যেকোনো জায়গায় স্বাধীনভাবে নিজ সিদ্ধান্তে আইনানুগ আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই এ ধরনের সংগঠন গড়ে তুলতে পারে। এতে ঝুঁকির পরিমাণও অত্যন্ত কম। তাই ব্যবসা সংগঠনের ইতিহাস পর্যালোচনা করে আমরা দেখি, ব্যবসায় শুরুর প্রাথমিক পর্যায় থেকেই একমালিকানা ব্যবসায় যাত্রা শুরু করে আধুনিক প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বেও জনপ্রিয়তার সাথে সফলভাবে টিকে আছে। বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নতিতে একমালিকানা সংগঠন ব্যাপকভাবে অবদান রাখতে পারছে।
এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা জানতে পারব—
- মালিকানার ভিত্তিতে ব্যবসায়ের ধারণা ।
- একমালিকানা ব্যবসায়ের বৈশিষ্ট্য।
- একমালিকানা ব্যবসায়ের গুরুত্ব।
- একমালিকানা ব্যবসায়ের উপযুক্ত ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিতকরণ।
- বৃহদায়তন ব্যবসায়ের পাশাপাশি একমালিকানা ব্যবসায় টিকে থাকার কারণসমূহ ।
সূত্র: ক্যামব্রিয়ান পাবলিকেশন্স
Related Question
View Allএক মালিকানা ব্যবসায় প্রত্যক্ষ যোগাযোগের সম্পর্কের বৈশিষ্ট্যটি উদ্দীপকের ব্যবসায়ীকে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করেছে।
এ ধরনের ব্যবসায় এক মালিকানায় গঠিত পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। ব্যবসায় পরিধির ছোট হয় মালিক নিজেই ব্যবসা পরিচালনা করেন। এতে মালিকের সাথে গ্রাহকদের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে গ্রাহকের পরামর্শ নিয়ে সহজেই ব্যবসায়ী সফলতা লাভ করা যায়।
উদ্দীপকের জনাব প্রণয় নিজস্ব ও ধার করা অর্থ দিয়ে একটি মনিহারি দোকান দেন। স্বল্প পুঁজির কারণে তার দোকানে পর্যাপ্ত পণ্য নেই। তাই তিনি ক্রেতাদের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হন। তিনি একাই দোকানটি পরিচালনা করেন। তাই গ্রাহকদের সাথে তার সরাসরি যোগাযোগ হয়। তিনি স্থানীয় ক্রেতাদের পরামর্শ নিয়ে তাদের চাহিদা সম্পর্কে জানেন এবং এরপর সে অনুযায়ী পণ্য দোকানে তোলেন। ফলে তার গ্রাহকদের সংখ্যা বেড়ে যায়। তাই বলা যায় যে গ্রাহকদের সাথে প্রত্যক্ষ যোগাযোগের সম্পর্কের কারণে জনাব রক্তিম প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছেন।
এক মালিকানা ব্যবসায় প্রত্যক্ষ যোগাযোগের সম্পর্কের বৈশিষ্ট্যটি উদ্দীপকের ব্যবসায়ীকে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করেছে।
এ ধরনের ব্যবসায় এক মালিকানায় গঠিত পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। ব্যবসায় পরিধির ছোট হয় মালিক নিজেই ব্যবসা পরিচালনা করেন। এতে মালিকের সাথে গ্রাহকদের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে গ্রাহকের পরামর্শ নিয়ে সহজেই ব্যবসায়ী সফলতা লাভ করা যায়।
উদ্দীপকের জনাব প্রণয় নিজস্ব ও ধার করা অর্থ দিয়ে একটি মনিহারি দোকান দেন। স্বল্প পুঁজির কারণে তার দোকানে পর্যাপ্ত পণ্য নেই। তাই তিনি ক্রেতাদের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হন। তিনি একাই দোকানটি পরিচালনা করেন। তাই গ্রাহকদের সাথে তার সরাসরি যোগাযোগ হয়। তিনি স্থানীয় ক্রেতাদের পরামর্শ নিয়ে তাদের চাহিদা সম্পর্কে জানেন এবং এরপর সে অনুযায়ী পণ্য দোকানে তোলেন। ফলে তার গ্রাহকদের সংখ্যা বেড়ে যায়। তাই বলা যায় যে গ্রাহকদের সাথে প্রত্যক্ষ যোগাযোগের সম্পর্কের কারণে জনাব রক্তিম প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!